Home / করোনা ভাইরাস / লামার আজিজনগরে মানা হচ্ছে না লকডাউন।

লামার আজিজনগরে মানা হচ্ছে না লকডাউন।

কে এইচ মহসিন বান্দরবান জেলা প্রতিনিধিঃ-

লামার আজিজনগর ইউনিয়নে মানা হচ্ছে না লকডাউন, প্রশাসনের লোকজন যতক্ষণ ডিউটি অবস্থায় থাকেন ততক্ষণ কিছুটা লকডাউন মানা হলেও চলে যাওয়ার সাথে সাথেই রাস্তা, দোকান ঘাটে চলে জনসমাগম।

প্রতিনিয়ত বাজারে আসছে অপরিচিত মুখ। অটোরিক্সায়, মটরসাইকেল, সিএনজি তে করে বিভিন্ন এলাকা থেকে আসছে লোকজন।
যে যার মত চলে, মাঝে মধ্যে ২/১ জন কে জিজ্ঞাসা করিলে তাহারা বলে কেহ সাতকানিয়া, কেহ লোহাগড়া, কেহ বা চট্টগ্রাম থেকে আসছি বলে, মামা খালু ইত্যাদির পরিচয়ে চলে যায়।

বিশেষ করে আজিজনগর, কোরবানিয়া ঘোনার বেশ কিছু অটোরিকশা ভাড়ায় আরকান সড়ক গজালিয়া সড়কের মুখ থেকে চকরিয়া, হারবাং, চুনতি, লোহাগাড়া পাশ্ববর্তী এলাকায় যাত্রী নিয়ে আসা-যাওয়া করে। হয়ত ঐ সকল যাত্রী বহনকারী অটোরিকশা বা মটর সাইকেলে যাত্রীর শরীরে বহন করে আনা মরণ ব্যাধি করোনা ভাইরাস অত্র এলাকার কাউকে আক্রমন করিলে কেহ রক্ষা পাবে না।

এলাকায় চলিত অটোরিকশা, মটর সাইকেলগুলো বহিরাগত যাত্রী আনা- নেওয়া করার পর আবার সন্ধ্যায় আজিজনগরে প্রবেশ করে, তাহলে লকডাউন মানা হলো কি?

অধিকাংশ দোকান খোলা, চুনতি, হারবাং, গয়ালমারা, কোরবানিয়া ঘোনা থেকে লোকজন এসে প্রতিনিয়ত পূর্বের ন্যায় বাজারে ভিড় জমাচ্ছে।
পাশাপাশি সামাজিক দুরত্বও মানছে না কে। গাঁ ঘেশাঘেশি করে করছে কেনা-বেচা।

আজিজনগর থেকে প্রতি রাতে আসা-যাওয়া করছে কাঠ বোঝাই করা ট্রাক, মিনিট্রাক এসব কাঠবাহী গাড়ি চকরিয়া, পেকুয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় যাওয়া আসা করে। গাড়ি আনলোড করতে ব্যবহার হয় শ্রমিক।

লেবুর দাম বেশি হওয়ায় অত্র এলাকা হতে মানুষ অধিক মুনাফার আশায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাওয়া আসা করে ঢাকা, চট্টগ্রাম, চকরিয়া, লোহাগাড়া, পানের ঝুরি নিয়ে যাওয়া হয় সাতকানিয়া,কেরানিহাট। রাতের আধারে দুরপাল্লা থেকে আসা মানুষগুলোকে নিরাপদে বাড়িতে পৌছে দেয় একদল টাকার লোভী বাইক চালক।

এলাকা বা বাহিরের গাড়ি, মানুষ জন যদি আসা-যাওয়াই করে তাহলে কিসের লকডাউন। শুধু কি কিছু সংখ্যক মোটরসাইকেল, আর মাহিন্দ্রা নিয়ন্ত্রণ করিলেই কি লকডাউন হয়।

উক্ত বিষয়ে আজিজনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন কোম্পানীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন- আমি যথা সাধ্য চেষ্টা করছি এলাকাবাসীকে সচেতন করতে এবং লকডাউন মেনে চলতে। মাইকিং করছি আমি নিজে গাড়িতে বসে থেকে। ত্রান দেওয়ার সময় প্রত্যেককে অনুরোধ করে বলেছি, ঘরে থাকতে, প্রয়োজন ছাড়া বাজারে, রাস্তায় বের না হতে। চোরে কি শোনে ধর্মের কাহিনী, বার বার বলার পরও অনেকে তা মানছে না, প্রশাসন দিয়ে তাড়াও করছি।

বহিরাগত লোকজন রাতের আধারে আসলে আমি তো আর সব সময় পাহাড়া দিয়ে বসে থাকতে পারব না, বহিরাগত কেহ আসলে তাহার বাড়িতে গিয়ে খোজ খরব নি এবং গ্রাম পুলিশসহ প্রশাসনের লোকজন গিয়ে হোম কোয়ারান্টাইনে থাকার নির্দেশ দিয়ে আসে।

এ অবস্থা চলতে থাকলে আজিজনগরবাসি পড়বে মহা বিপদে, রক্ষা করতে পারবে না কোন প্রতিরোধক।

About admin

Check Also

চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশ সুপার মহোদয়ের নেতৃত্বে ত্রান বিতরণ।

মোঃ রবিউল ইসলাম, চুয়াডাঙ্গা থেকে +8801984910935 চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশ সুপার মহোদয় মোঃ জাহিদুল ইসলাম স্যারের …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *